ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ , ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে রাজশাহীতে বিএনপির সাবেক নেতাদের প্রস্তুতি সভা ৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা সিরাজগঞ্জে আত্মসমর্পণ করলেন ৬৫ চরমপন্থী, স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের নব নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ জয়পুরহাটে ৯০০ টাপেন্টাডল ও ৬০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন পুঠিয়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! পুঠিয়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন তানোরে মাদরাসা শিক্ষককে লাঞ্ছিত পুঠিয়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন নিয়ামতপুরে এইচএসসিতে ২ কলেজে শতভাগ ফেল, ৬ কলেজে ফেলের হার বেশি ফুলবাড়ীতে জাতীয় যুব দিবসে ফুলবাড়ী যুব উদ্যোক্তা পরিবারের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ফুলবাড়ীতে জাতীয় যুব দিবসে আমরা করব জয় যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার বৃক্ষরোপণ ও মশক নিধন কর্মসূচি যুব সমাজই দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করার মূল শক্তি: এমপি মিলন এইচএসসিতে গুরুদাসপুরে ৫টি প্রতিষ্ঠানের কেউই পাশ করেনি আত্রাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত, যুব উদ্যোক্তাদের মাঝে ১৪ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত মোহনপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, সনদ ও ঋণের চেক বিতরণ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে কিশোর গ্যাংয়ের ৪ সদস্য ধরা

সিংড়ায় দুর্ভোগ এড়াতে স্কুল স্থানান্তরের দাবি

  • আপলোড সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৯:৫৬:১৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৯:৫৬:১৯ অপরাহ্ন
সিংড়ায় দুর্ভোগ এড়াতে স্কুল স্থানান্তরের দাবি সিংড়ায় দুর্ভোগ এড়াতে স্কুল স্থানান্তরের দাবি
নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২নং ডাহিয়া ইউনিয়নের চলনবিল অধ্যুষিত দুর্গম বেড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের দাবি উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রতিষ্ঠানটির ভবন ও অবকাঠামোসহ গ্রামের পাকা সড়কের পাশে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চলনবিলের নিচু অঞ্চলে অবস্থিত বেড়াবাড়ি গ্রামটি বছরের প্রায় ছয় মাস পানিবন্দি থাকে। বিদ্যালয়টির আশপাশের পাড়াগুলোর সঙ্গে সরাসরি কোনো সড়ক যোগাযোগ নেই। ফলে বর্ষা মৌসুমে নৌকায় এবং শুষ্ক মৌসুমেও হাঁটুসমান পানি ও কাদা পেরিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।

বছরের প্রায় ছয় মাস নৌকায় চড়ে কিংবা পানিতে নেমে বই-খাতা ভিজিয়ে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে হয়। বর্ষা মৌসুমে সন্তানদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অনেক অভিভাবকই তাদের স্কুলে পাঠাতে চান না। অন্যদিকে, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার কারণে বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা বেশিদিন বিদ্যালয়ে থাকতে চান না। সুযোগ পেলেই অন্যত্র চলে যান। এ ছাড়া যাতায়াতের পথে বছরে একাধিকবার নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্তিক মাসে চলনবিলের পানি অনেকটা নেমে গেলেও বেড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির চারপাশ এখনো পানিতে ঘেরা। কেউ নৌকায়, আবার কেউ হাঁটুপানি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. মাসুদা খাতুন জানায়, ‘আমরা চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পানিতে নেমে স্কুলে আসতে পারলেও ছোটরা, বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আসতে পারে না।

অভিভাবক পারুল বেগম বলেন, স্কুলটি এমন একটি জায়গায় অবস্থিত, যেখানে অন্য যেকোনো পাড়া থেকে আসতে খুব কষ্ট হয়। রাস্তা নেই, ঘাট নেই। বর্ষার কয়েক মাস সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাই।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হক জানান, ১৯১৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। শতবর্ষী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য আজও কোনো সড়ক যোগাযোগের ব্যবস্থা হয়নি। সিংড়া সদর থেকে বিদ্যালয়ে আসতে একজন শিক্ষকের প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। এরপর গ্রামের পাকা রাস্তা থেকে বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় নৌকাও পাওয়া যায় না। এসব কারণে বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা বেশিদিন এখানে থাকতে চান না। সুযোগ পেলেই অন্যত্র চলে যান। ফলে বিদ্যালয়টিতে প্রায়ই শিক্ষক সংকট দেখা দেয়।

২নং ডাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল মজিদ মামুন বলেন, সিংড়া উপজেলার মধ্যে বেড়াবাড়ি অন্যতম দুর্গম গ্রাম। এখানে ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রও রয়েছে। ভোটের সময় ভোট গ্রহণ করতেও নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সবদিক বিবেচনায় বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করে গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে নেওয়া এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি।

এ বিষয়ে সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত জানান, বেড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ও অবকাঠামো স্থানান্তরের বিষয়ে প্রশাসন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে সরকারি খাসজমি পাওয়া গেলে সেখানে বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সময়ও মানুষের ভোগান্তি কমবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : md.masudrana2008@gmail.com

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রুয়েটে শুরু আন্তঃহল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

রুয়েটে শুরু আন্তঃহল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত